Categories
ভিডিও গ্যালারী

নট এলোন – এলজিবিটি শর্ট ফিল্ম

Categories
একান্ত ভাবনা

সমকামিরা সমাজের বাইরে নয়; তাঁরা নিজ নিজ কর্মগুণে বিখ্যাত!

সমকামীরা সারা পৃথিবীতে নিজের কর্মগুণে বিখ্যাত হয়েছেন, আসুন দেখা যাক কিছু বিখ্যাত এবং কর্মক্ষেত্রে সফল সমকামীর নাম:

সঙ্গীত জগতে : বৃটিশ কন্ঠশিল্পী এলটন জন্, বিশ্ব বিখ্যাত ব্যান্ড কুইনের শিল্পী ফ্রেডি মার্কারী, রিকি মার্টিন, জর্জ মাইকেল, জেনিফার ক্রাপ ও মার্শা ষ্ট্যাফানস জুটি সমকামি।

অভিনয়ে : নীল পেট্রিক হারিস ও ডেভিড বুর্টকা জুটি, টিলা টেকুইলা জুটি সমকামী।

লেখক ও সাহিত্যিক : প্ল্যটো, ওসকার ভিলডে, টি এস এলিয়ট, আর্থার রিমবাউড, ভার্জিনিয়া ভোল্ফ, পল ভার্লেন, লর্ড বায়রন, ওয়ার্ডসওয়াড, চিত্রশিল্পীদের মাঝে ভিঞ্চী, সালভাদর ঢালি, মাইকেল এঞ্জেলো সমকামী ছিলেন এবং সমকামিদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেছেন।

খেলা ধুলায় : জার্মান জাতীয় দলের ফুটবলার টমাস হিলসপার্গার, জার্মান জাতীয় মহিলা দলের ফুটবলার নাদিনে আনগেরার, ইংলিশ বক্সার নিকোলা এডামস, আমেরিকান বাস্কেটবল খেলোয়াড় কি আলুম্স সমকামী। এরাও বিখ্যাত তাদের কর্মে, তাদের সমকামিতা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না।

বিশ্ব বিখ্যাত ইতালিয়ান ডিজাইনার জর্জিও আর্মানী, রাজনীতিতে অষ্ট্রেলিয়ায় ইয়ান হান্টার ও পেনি ওং; টেক্সাসের গে মেয়র আনিসে পার্কার; বৃটেনে স্টিভ গিলবার্ট, ষ্ট্যাফান উইলিয়ামস সহ অসংখ্য সমকামী দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। গিডো ভেষ্টারভেলে জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রী ছিলেন সমকামী। দেশের জনগণের তাতে কোনো অসুবিধা হয়নি।

এবার দেখা যাক পৃথিবীর কোন কোন দেশে সমকামিতার বৈধতা দেয়া হয়েছে:

২০০১ সালে নেদারল্যান্ড প্রথম সমলিঙ্গের বিয়েকে আইনগত বৈধতা দেওয়ার পর তাদের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করেছে ইউরোপের অন্যান্য সব জাতি। ইউরোপ ইউরোপের কোন দেশেই সমকামিতা বিরোধী আইন নেই। শুধু সাইপ্রাসে ছিল এবং তাও এ বছর জানুয়ারীতে সেই আইন রহিত করা হয়েছে। সর্বাধিক সমকামিতা পক্ষে সমর্থন পেয়েছে যে দেশ সেটি হচ্ছে স্পেন। স্পেন ৮৮ শতাংশ মানুষ সমাজিক ভাবে সমকামিতাকে গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করে। জার্মানিতে ৮৭ শতাংশ, এবং চেক প্রজাতন্ত্র ৮০ শতাংশ, মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রে এ সংখ্যা ৬০ শতাংশ। স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স সহ নয়টি ইউরোপীয় দেশে ইতিমধ্যে আইনগতভাবে সমকামী বিবাহকে বৈধতা দেয়া হয়েছে।

আমি নিজেও সমকামিতার পক্ষে কথা বলি এবং সমকামীদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি ! তাহলে, এসব সমকামীরা অথবা সমকামীদের পক্ষে সমর্থন দেয়া ইউরোপের ৮০ ভাগ মানুষ কি মানসিক বিকারগ্রস্থ? নাকি আপনার সমকামিতা সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব?

Categories
একান্ত ভাবনা

মানুষকে মানুষের মর্যাদা দিতে শিখুন

আজ কিছু সত্য কথা বলবো, কারো যদি খারাপ লাগে, তাহলে আমার ব্লগ ত্যাগ করতে পারবেন এখনি, আমার কোনই আপত্তি থাকবে না।

বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ মুর্খ, আর যারা শিক্ষিত তাদের মধ্যেও বেশির ভাগ শিক্ষা শুধু পরীক্ষা পাশের জন্যই গ্রহণ করেছে, প্রকৃত শিক্ষিত তাদের বলা যায়না। আর যারা চোখ থাকিতে অন্ধ, তাদের কথা বলে কোন লাভ আছে বলে মনে হয় না। প্রশ্ন উঠতে পারে, কেন হঠাত করে শিক্ষা নিয়ে বলছি? এর যথেষ্ট কারন রয়েছে।

বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ, সে হোক শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিত, সমকামী কিংবা উভকামি – এসকল শব্দ শুনলেই প্রথমেই তাদের মনের মধ্যে যে চিন্তাটা আসে, তা হলো যৌনতা। তারা সমকামী কিংবা উভকামিদের শুধুমাত্র যৌনতা দিয়েই বিচার করেন। তারা একবারের জন্যও মনে করেন না যে সমকামীরা কিংবা উভকামিরা আর দশটা মানুষের মতোই মানুষ। তাদেরও অনুভূতি আছে, তাদেরও বাঁচার অধিকার আছে, আছে নিরাপত্তার অধিকার। কিন্তু মুর্খ বাঙ্গালির এসব বুঝার ক্ষমতা নাই।

একজন ব্যক্তির ভিন্ন মত থাকতেই পারে, সে ভিন্ন যৌন আকাঙ্ক্ষা ধারণ করতেই পারে, তাতে অন্য সবার কি যায় আসে? তাঁর যে প্রেম-ভালোবাসা হতে পারে এসব নিয়ে কিন্তু এই মূর্খ বাঙ্গালি বুঝতে পারে না, বুঝতে চায়ও না। বাংলাদেশের এই সমকামী কিংবা এলজিবিটি গোষ্ঠীটা আসলেই একদমই সহজ সরল প্রকৃতির হয়, একদম নিরীহ যাকে বলে। তারা কারো সাথেই ঝামেলায় জড়াতে চায়না। তারা সারাজীবন নিজের ভালোবাসার রিকোগ্নাইজেশন খুঁজে বেড়ায়। অস্তিত্বের খুঁজে কাটিয়ে দেয় সারাটি জীবন। তবে মূর্খ বাঙ্গালির তাটা কি যায় আসে?

তাদের চোখের একটা “সাধারণ মানুষ” যখন জোর পূর্বক ধর্ষণ করে তখন তাদের মধ্যেই কোর্ট কাচারিতে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায়, সেই ধর্ষককে  বাঁচাতে। এর থেকে বিকৃত মনমানসিকতা আর কি হতে পারে? কিন্তু না, তারা সমকামীদেরই বিকৃত মনমানসিকতা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

এই বাঙ্গালি জাতি পড়াশোনায় যতই শিক্ষিত হোক না কেন, তাদের মনের মধ্যে ঠিকই সমকামীদের জন্য একরাশ ঘৃণা পোষে রাখে। তাই দুজন সমকামী মানুষ পরিস্পরকে যৌন লালসা নয় বরং ভালোবাসা থেকেই বিয়ে করতে পারে সেটা বোঝার মত ক্ষমতাও তাদের নাই। মাঝে মধ্যে তাদের এই অজ্ঞতার জন্য আমার দুঃখ হয়, আই রিয়েলি ফিল সরি ফর দেম। 

তবে সবশেষে একটা কথাই বলতে চাই, সমকামী মানে যদি যৌনলালসাই হতো তাহলে বিয়ে করার অধিকার আদায়ের দাবী এদের থাকতো না, সম্ভোগ পর্যন্তই থাকতো এদের চাওয়া-পাওয়া। একটু ভাবুন, আরেকটু জানুন, বুঝতে চেষ্টা করুন, আমরা সবাই মানুষ, মানুষকে মানুষের মর্যাদা দিতে শিখুন।

Categories
LGBT NEWS NEWS এলজিবিটি এলজিবিটি সংবাদ সমকামীদের অধিকার

Is ‘Girls’ a bisexual anthem… or biphobic?

Screenshot/YouTube

British singer Rita Ora – along with Cardi B, Bebe Rexha, and Charli XCX – has released what she hopes will be a bisexual anthem this week.

Ora’s new song “Girls” is about… loving girls “50/50.” The pop lyrics reference bisexuality and the chorus is fairly straightforward:

Sometimes, I just wanna kiss girls, girls, girls
Red wine, I just wanna kiss girls, girls, girls
Sometimes, I just wanna kiss girls, girls, girls
Red wine, I just wanna kiss girls, girls, girls
Girls, girls, girls, girls, girls

Ora told People that she hopes it’ll be a bisexual anthem: “I definitely want it to feel like it’s an anthem to somebody. I want there to be a sense of freedom for anyone who listens to it.”

But when the magazine asked Rita Ora if she’s bisexual or fluid, she said the question was “very narrow-minded.” “I don’t think that that even matters,” she said.

Some other singers, though, are pointing out that the lyrics might be too problematic for an anthem.

Actor and singer Hayley Kiyoko, who identifies as gay, posted a statement on Twitter. After saying that she supports artists “who are opening up more and more about their sexual identities,” she said that the lyrics left her with a “knot in [her] stomach” and are “tone-deaf.”

“A song like this just fuels the male gaze while marginalizing the idea of women loving women,” Kiyoko wrote.

She also took particular issue with the chorus and its reference to red wine. “I don’t need to drink wine to kiss girls; I’ve loved women my entire life. This type of message is dangerous because it completely belittles and invalidates the very pure feelings of an entire community.”

Source

Categories
একান্ত ভাবনা

ভালোবাসার ক্ষেত্রে বৈধ বা অবৈধ বলে কিচ্ছু নেই

যে প্রেমিকেরা কথায় কথায় প্রেমিকাদের বলেন- তোমার হাসি মোনালিসা’র মতন তারাই যখন সমকামিতা নিয়ে কঠিন কঠিন কথা লিখে স্ট্যাটাস দেয় তখন আমার খুব হাসি পায়! লিওনার্দো যে সমকামী ছিলেন তা তো তাদের অজানা হওয়ার কথা নয়? প্রাচীন মিশরীয়, অসিরিয় এমনকি বাংলা’র ইতিহাসেও সমকামিতা সেই প্রাচীনকাল থেকেই ছিল।

আবার অনেকেই বলে থাকেন সমকামিতা নাকি প্রকৃতিবিরূদ্ধ। সমকামীরাও প্রকৃতির অংশ। বিড়াল, কুকুর, ছাগল, সিংহ, র‍্যাকুন, হাতি, ডলফিন, স্যা’মন মাছ, বাইসন, কোয়ালা বেয়ার, ব্রাউন বেয়ার, মুরগী, পেঙ্গুইন, সি-গাল, উড টার্টেল, গার্টার সাপ সহ আরো পাঁচশ প্রজাতির প্রাণীর মতো সমকামীরাও প্রকৃতিরই অংশ।

আবার অনেকে বলেন সমকামিতা নাকি নোংরা। এটি আসলে মানুষ-ভেদে তার মনমানসিকতার পরিচয়। কারন সমকামীতা যদি নোংরা হয়, তাহলে ছেলে-মেয়ের যৌন সঙ্গমও নোংরামি। কই, তখন তো কিছু বলেন না?

অনেকে আবার ধারনা করেন যে সমকামিতা একধরণের মানসিক রোগ। জ্বী না। আপনি যে সমকামীদের সমাজে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারছেন না, সেটা আপনার মানসিক সমস্যা। আপনার ডগমাটিক ধর্মের “মূল্যবোধ” থেকে আপনার ট্যাবুকে আপনি বের করতে পারছেন না। এছাড়া আর কিছুই না।

অনেকেই বলতে শোনা যায় “পৃথিবীতে সবাই সমকামী হইলে রিপ্রোডাকশান করবে কে?”। কিন্তু কেন? সমকামীরা কি বিষমকামীদের খুন করে মেরে ফেলছে? সমকামীরা তো এই পৃথিবীতে সংখ্যালঘু, তাঁরা তো বিষমকামীদের কোনভাবে বিরক্ত করছেন বলে জানা যায়নি আজ পর্যন্ত! যেসব ছেলেরা মেয়েদের ভালোবাসেন, এবং যেইসব মেয়েরা ছেলেদের, তারাই দুনিয়াতে বাচ্চা সাপ্লাই দিবেন। দুনিয়াতে বাঘ আছে বলে কি সিংহের দরকার নাই?

আসলে ভালোবাসা হলো একটি পবিত্র অনুভূতি, এ ক্ষেত্রে বৈধ বা অবৈধ বলে কিচ্ছু নেই!

 

 

Categories
একান্ত ভাবনা বাংলাদেশ রাজনীতি

শুধু বাংলাদেশকে ভুলে গেলেই এই যাত্রায় হয়ত বেঁচে যেতে পারি

যে চলে যায় তার খুব সম্ভবত আর গল্প থাকেনা। সে গল্প নিজেই বয়ে বেড়ায় এক আদিম গ্লানি ফলে সেসব গল্প তেমন বলাও হয়ে ওঠেনা খুব করে। আমাদের এইসব মনে হতে থাকা কিংবা না হতে থাকা জীবনে এর কি কোন মূল্য রয়েছে আদৌ?

তাঁরা আর কোনদিন-ই ফিরে আসবেন না। যারা ধার্মিক তাঁরা বলবেন এই ছেলে-মেয়ে গুলো বেহেশত বা স্বর্গে গেছেন। যারা ধর্মের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন, তাঁরাও দীর্ঘঃশ্বাস ফেলে বলবেন “নেই”।

এটা একটা অসীম শূণ্যতার গল্প কিংবা উপাখ্যান। পিট সীগার কেন বলছিলেন বহুদিন আগে যে, where have all the flowers gone? পীট সীগারের এই প্রশ্নের উত্তর অন্তত আমার কাছে নেই।

গতকাল আমি মন্ত্রী শাহজান খানের একটি ছবি ফেসবুকে দিয়েছিলাম। তাঁকে দেখতে বানানো হয়েছিলো ড্রাকুলার মত। ঠোঁটের দুই দিকে রক্ত চুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়ছে। চোখ দুটো লাল। আমরা মানুষ হিসেবে একজন পিশাচকে যেভাবে কল্পনা করি সেটির প্রকাশ ঘটাতে চেয়েছিলাম।

এক পর্যায়ে মনে হোলো, কি লাভ তাতে? কি উদ্ধার হবে এতে করে? কেবল ব্যাক্তিগত রাগ ও ক্রোধের কিছুটা উপশম হওয়া ছাড়া?

একবিংশ শতাব্দীতে শোকের আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট সময় নেই। শোক মানুষকে অভ্যস্ত করে ফেলেছে, মানুষও শোককে এডপ্ট করে নিয়েছে। সাময়িক যে যন্ত্রণার মধ্যে আমরা বসবাস করি সেটি ঠিক সে সময়ে অত্যন্ত খাঁটি হলেও এগুলো নতুন নতুন ঘটনার গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

কাকে দোষ দেব বলেন? কারই বা খুঁত ধরব? আমাদের শোকের আয়ু কমতে কমতে যখন শূণ্য হয়ে উঠলো তখন আমরা বুঝলাম, আমাদের হারাবার কিছু নেই। ইনফ্যাক্ট আমাদের পাবারও কিছু নেই।

দিয়া বাসের চাকার নীচে চলে গেলো, আরো দু’জন চলে গেলো দিয়া’র সাথে। দেখুনতো ওই বাকী দুজনের নাম-ই মনে নেই!! গতকালের ঘটনা আজই নাম ভুলে গেলাম। টাইপিং এর এই পর্যায়ে মনে হোলো গুগোল করে দেখে নেই। কিন্তু ইচ্ছে হোলো না একদম। মনে হোলো আমার এই শোকশূন্য সময়টার সাথে প্রতারনা না করি। যা সত্য শুধু তাই বলি।

রাজীবের কথা ধরুন। ওই যে দুই বাসের চাপায় হাতটা ফেলে দিতে হলো। তারপর মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করতে করতে ম’রে গেলো ছেলেটা। পত্রিকায় পড়েছিলাম তাঁর দুই ভাই রয়েছে। ছেলেবেলাতে রাজীব আর দুই-ভাই এদের তিনজনের বাবা ও মা মারা গেলে রাজীব অনেক কষ্ট করে এদের বড় ক’রে তোলে। খাদ্য দেয়, পোষাক দেয়, বাঁচিয়ে রাখে। সেই রাজীবও তো ম’রে গেলো। ঐ বাচ্চা দু’টির কি অবস্থা এখন, কেউ কি জেনেছি আর?

আবার সেইদিন হানিফ পরিবহনের একটা বাস থেকে এক তরুনকে বেঁধে ফেলে দিলো পানিতে। ড্রাইভার আর কন্ডাক্টর মিলে। ছেলেটি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে পড়ত। বাসে করে যাচ্ছিলো মায়ের কাছে। বাথরুমে যাবে বলে বাস থেকে নামলো। আবার বাসে উঠবার সময় ছেলেটি আহত হোলো। তারপর এই আহত ছেলেটিকে নিয়ে ঝামেলা হবে ভেবে মেরে ফেল্লো ছেলেটিকে।

কি সুন্দর দেখতে ছেলেটি। ছেলেটির ছবি দেখে আমার এক অদ্ভুত কারনে প্রথমেই মনে হয়েছিলো, ও কি কাউকে ভালোবাসতো? কিংবা কেউ তাঁকে?

আমরা পত্রিকার পাতাতে এসব পড়ি আর কর্পূরের মত এগুলো এক সময় উড়ে চলে যায়। যাবেই তো! কয়লাখনির এম ডি বলেছেন ১ লক্ষ টন কয়লা উড়ে চলে গেছে। আর আমাদের যন্ত্রণা আর বিষাদ!!! এসব কি করে আমাদের ভেতরে পড়ে রইবে? এরা তো আরো হালকা আরো বর্ণহীন…

শেখ হাসিনাকে গাল দেয়া যায়। গাল দেয়া যায় ওবায়দুল কাদের নামের বালকটিকে। গাল উঠতে পারে মাল মুহিতের ঘাড়ে, গাল চলতে পারে মতিয়ার মুখের প’র। কিন্তু তারপর? তারপর কি?

তারপর কিছু না। তারপর অসীম শূন্যাত। বাবনা করিম গেয়েছিলো না এমন কিছু?

“একদিন আমি হেঁটে চলছি পথে একা…হঠাৎ হোঁচট খেয়ে থমকে দেখি…চারিদিকে শুধু আঁধার…”

বাবনা একদিন একা চলতে গিয়ে হোঁচট খেয়েছেন। আমাদের সাথে পার্থক্য হচ্ছে আমরা সম্মিলিত ভাবে হোঁচট খেয়ে পড়ে রয়েছি দীর্ঘদিন। দীর্ঘদিন মানে দীর্ঘদিন…

সবাই বলে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। সবাই বলে বাংলাদেশ আরো আগাবে। আরো সামনে যাবে। সবাই এমনই বলে।

আমি বলিনা কিংবা বলতে পারিনা। এই দেশের ইতিহাস পড়ে আমি এই সময়ের এক অর্বাচীন বালিকা তাশনুভা আটকে রয়েছি ইতিহাসের নানান গলি আর ঘুপচিতে।

বালক বললাম বলে হেসেছেন। তাই না?

এই দেশটা নিয়ে স্বপ্ন দেখা যায়। এক বুক গাঁজা টেনে কিংবা প্যাথিড্রিন নিয়ে, মরফিন নিয়ে কিংবা ইয়াবা নিয়েীই দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখা যায়।

আমার এক বন্ধু আমাকে দেখলে প্রায়ই বলে, “গাঁজা খাবি?”। আমি বলি “গাঁজা খাইনি আগে। খেলে কি হয়?”

আমায় সে বলে, গাঁজা খেলে নাকি বহুদূর পর্যন্ত উড়ে চলে যাওয়া যায়। তারপর সে চলার পথে ভুলে থাকা যায় দুঃশাষন, দূর্নীতি, লুটপাট, খুন, হত্যা, ধর্ষন। নিজস্ব বেদনা, যন্ত্রণা আর হাহাকার।

ভুলে যেতে খুব ইচ্ছে করে। ভুলে যেতে ইচ্ছে করে দিয়াকে। দিয়ার সাথে বাসের নীচে পড়া নাম ভুলে যাওয়া বাকীদের। ভুলে যেতে ইচ্ছে করে দিয়ার বাবা জাহাঙ্গীরের প্রলাপ, ভুলে যেতে ইচ্ছে করে একরামুলের মেয়েদের, কর্ণফুলির পাশে নুরুল ইসলাম নুরুর গলিত আর মথিত লাশ, ভুলে যেতে ইচ্ছে করে রাজীব, ভুলে যেতে ইচ্ছে করে সাগর আর রুনি কিংবা তনু। ভুলে যেতে ইচ্ছে করে শৈশব, কৈশোর আর গোটা সময়।

সব ভুলে যেতে ইচ্ছে করে।

মনে হয় নিজের মাকে ভুলে যাই, বাবাকে ভুলে যাই। ভাই-বোন সব কিছু। ভুলে যাই সমস্ত স্মৃতি। এত এত যন্ত্রণা। এত এত কষ্ট। এত এতো থোক থোক রক্তের গল্প আর ভালো লাগেনা।

আর কিছু না হোক, শুধু চাই বাংলাদেশকে ভুলে যেতে। এর ৫৬ হাজার বর্গমাইলের স্মৃতি ভুলে যেতে চাই। এর মানুষ। এর রাজনীতিবিদদের।

শুধু বাংলাদেশকে ভুলে গেলেই এই যাত্রায় হয়ত বেঁচে যেতে পারি…

 

Categories
ভিডিও গ্যালারী

রিপ্লে – এলজিবিটি শর্ট ফিল্ম

Categories
LGBT NEWS NEWS এলজিবিটি এলজিবিটি সংবাদ সমকামীদের অধিকার

India’s Supreme Court decriminalizes LGBTQ

India’s top court on Thursday overturned a 157-year-old law criminalizing gay sex in a landmark victory for gay rights in the world’s largest democracy.

A panel of five judges issued a unanimous judgment striking down the provision and affirming the right to equality and dignity.

“Respect for individual choice is the essence of liberty,” Dipak Misra, India’s chief justice, told a packed courtroom. “This freedom can only be fulfilled when each of us realizes that the LGBT community possesses equal rights.”

Activists have struggled for more than a decade to invalidate Section 377 of the Indian penal code, a provision that dates to the colonial era. The law prohibited consensual “carnal intercourse against the order of nature.”

While the statute was rarely used as a basis for prosecution, its presence meant that gay people faced threats, harassment and blackmail. It also served as a constant reminder to the gay community that the state considered their sexuality illegal.

The ruling sparked jubilation among members of the LGBT community. News channels showed people in cities across India weeping and embracing as they celebrated the historic decision.

“It is a great day for India,” said Balachandran Ramaiah, an investment banker in Mumbai and one of the many plaintiffs who challenged the law. “People are going to dance through the night.”

Thursday’s ruling is also a boost for gay rights around the globe. India was the most populous country in the world that still had a law on the books criminalizing gay sex. As of last year, more than 70 countries had such laws, according to the International Lesbian, Gay, Bisexual, Trans and Intersex Association.


People celebrate the Supreme Court’s decision to strike down a colonial-era ban on gay sex in Mumbai on Thursday. (Indranil Mukherjee/AFP/Getty Images)

In court Thursday, judges acknowledged the long injustice of the provision. “It is difficult to right the wrong of history, but we can certainly set the course for the future,” said Justice Dhananjaya Chandrachud.

Section 377 served as a pretext for extortion and continued prejudice, said Harish Iyer, a gay rights activist in Mumbai. Thursday’s ruling “is a landmark judgment for democracy as a whole,” he said. “People cannot be diminished, and their identities cannot be disregarded because they are few in number.”

The judgment reflects rapid social change in India, where only five years ago the top court upheld the same law. Since then, campaigners have mobilized a movement to spread awareness about gay rights. In recent years, more than 30 Indian cities have held their first gay pride parades, and public protests against Section 377 have spread across the country.

Economic and technological changes have spurred shifts in thinking, too. Cheap smartphones and mobile data opened young Indians to global trends and dating apps, while the mushrooming of India’s information technology sector has created a richer — and freer — generation of urban youth. Film, theater and pop culture show openly gay characters and in some cases challenge gay stereotypes.

People celebrate after the Supreme Court’s verdict in New Delhi. (Reuters)

Badges protesting Section 377, which criminalized homosexuality. (Rafiq Maqbool/AP)

Still, conservative attitudes toward homosexuality persist. Many LGBT Indians avoid coming out to their families, fearing ostracism and mockery. Some have reported being forced to undergo rituals and therapies that claim to “cure” homosexuality.

“I can’t find the words to express my happiness,” Anjali Gopalan, founder of the Naz Foundation, a nongovernmental organization that began mounting a challenge to Section 377 in 2001, said in the courtroom just minutes after the verdict. “It’s been an unbelievable journey. I can’t believe this day came in my lifetime.”

The Supreme Court decision was expected to be celebrated across India. Activists pledged that the ruling was just the beginning, vowing to continue to seek legal protection from violence and abuse and to seek the right to marry and adopt children.

Thursday’s ruling came after the Supreme Court declared a constitutional right to privacy in an unrelated case, opening the door for judges to reinterpret Section 377.

Over the summer, the court heard six petitions — including from a group of graduates of India’s top universities, who argued that criminalizing gay sex had a negative economic impact, and from a group of parents of LGBT individuals, who argued that their children deserved protection, not persecution, from the law.

Ahead of Thursday’s judgment, campaigners and activists were optimistic. Judges had expressed empathy for LGBT people during earlier hearings and had even narrated the story of Alan Turing, who created a machine to crack encrypted German messages during World War II and was then chemically castrated because of his sexuality.

Judges in India have gone back and forth on Section 377. In 2009, Delhi’s High Court struck down the law.

Four years later, a Hindu astrologer named Suresh Kumar Koushal teamed up with Christian and Muslim religious organizations and challenged the order in the Supreme Court, arguing that homosexuality was immoral and could even threaten national security. A two-judge bench at the time recriminalized homosexuality. That judgment stood until Thursday.

Source

Categories
একান্ত ভাবনা

মানবতা হলো সকল ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গের ঊর্ধ্বে

সমকামীদের আমাদের প্রশাসন অপরাধী মনে করে, কিন্তু সমকামী হওয়া কোন অপরাধ নয়। এটি শরীর বৃত্তীয় একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

সমাজে হিজড়া সমপ্রদায় যেমন আছে তেমনি সমকামী সমপ্রদায়ও আছে যারা জন্ম থেকেই বিপরীত লিংগের প্রতি আকর্ষন অনুভব করেনা; নীজ লিংগের প্রতি আকর্ষন অনুভব করে ! তাদের এ বৈশিষ্ট্য চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে কোন অসুস্থতা নয়। সামাজিক কুসংস্কারের কারনে সমাজে এদের ঘৃনা করা হয়, এদের জোর করে সমাজচ্যুত করা হয়। যেহেতু তাদের এই বৈশিষটেরে কারনে তারা নিজেরা দায়ি নয় আর যেহেতু এই সম্প্রদায়ের  লোকেরা হেটেরোসেক্সুয়াল সম্প্রদায়ের মতই সমাজে লেখা-পড়া, ব্যবসা-বানিজ্য সহ গুরুও্ব পূর্ণ কাজ করছে তাই সমাজে তাদের ডিসক্রিমিনেশন না করার জন্যে মানবতাবাদী বাদি সংগঠন গুলো সোচ্চার হয়েছে ! মানবতা হল সকল ধর্মের উপরে, বর্ণ-লিঙ্গ ধর্মের মাপকাঠিতে মানুষের বিচার চলে না।

আজ ভারতের সুপ্রিমকোর্ট সেদেশের গে বা সমকামী বিবাহের বা এক সাথে বসবাসের বৈধতা দিয়ে রায় প্রদান করেছে। সেই সাথে ৩৭৭ নং সেকশন রহিত করেছে। এটা ভারত ও ভারতের বাইরে যারা সমকামীদের আইনানুগ বৈধতা ও অধিকার নিয়ে কাজ ও আন্দোলন করছে তাদের জন্য নি:সন্দেহে যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

তবে আমাদের দেশে এখনো সমকামীদের নোংরা চোখেই দেখা হয়। কে সমকামী, কে অসমকামী, কে কার সাথে যৌন সংসর্গ করবে, তা নিয়ে অন্য মানুষের এত আগ্রহ কেন বুঝি না! আসলে, এই ধরণের নাক গলানো মানুষরা যৌন হতাশায় ভোগে; বেচারারা নিজেরা তৃপ্ত হয় না, তাই অন্যদের ব্যাক্তিগত কর্মে বাগড়া বসায়। সমকামিতাই হোক কিংবা, অসমকামিতা; ধর্ষণ, ধোঁকাবাজি, চিটিং না হলে, সে নিয়ে সমাজ বা, অন্য মানুষের মাথা ঘামানোর অধিকার নেই।

Categories
ভিডিও গ্যালারী

অটোমেট – এলজিবিটি শর্ট ফিল্ম